Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 ১১ মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৯০ ভাগ বিতরণ কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাপক সাফল্য

২০ নভেম্বর ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   বিভিন্ন ব্যাবসা বানিজ্য  
১১ মাসে লক্ষ্যমাত্রার ৯০ ভাগ বিতরণ কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাপক সাফল্য

চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে দেশের ব্যাংকিং খাত। চলতি অর্থবছরের এক মাস বাকী থাকতেই ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশের বেশি অর্জন করেছে। এর মধ্যে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো লক্ষ্যমাত্রার শতভাগের বেশি অর্জন করেছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ৮৫ দশমিক ৫০ শতাংশ কৃষিঋণ বিতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মহা-ব্যবস্থাপক এস এম মনিরউজ্জামান বলেন, চলতি অর্থবছরে সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত বছরের চেয়ে লক্ষ্যমাত্রা অনেকটা বড়। অর্থবছর শেষে কৃষি ঋণ বিতরণ প্রায় ৯৫ শতাংশের মতো হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কৃষিঋণ বিতরণ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) সময়ের জন্য মোট ৯ হাজার ৩৭৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৩৫০ কোটি ১০ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ দশমিক ৩ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৩৩১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ৬ হাজার ২৬৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৪৮ কোটি ৫ লাখ টাকা। এসময় ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ২ হাজার ৮১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ১০১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। তবে বেসরকারি খাতের বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও বিদেশী ওরি ব্যাংক কোন ঋণ বিতরণ করতে পারেনি। এছাড়া অনেক ব্যাংকই লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঋণ বিতরণ করতে পারেনি। কৃষি ঋণ বিতরণের পিছিয়ে পড়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে, সিটি ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১১ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ১৬ শতাংশ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক মাত্র ১৮ শতাংশ, সাউথইস্ট ব্যাংক ২৫ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিসত্মান ৩১ শতাংশ ঋণ বিতরণ করেছে।

তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েছে অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করেছে কয়েকটি ব্যাংক। এর মধ্যে ইস্টার্ন ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ৩৭২ শতাংশ বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। ব্যাংকটির কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ কোটি টাকা । এসময় ব্যাংকটি কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ না করলেও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ৭৪ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে লক্ষ্যমাত্রার ২৪৩ ভাগ। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ১৬৮ ভাগ, প্রাইম ব্যাংক ১৩৮ ভাগ, আল-আরাফা ব্যাংক ১২৩ ভাগ ঋণ বিতরণ করেছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ৭২ ভাগ, জনতা ব্যাংক ৮১ ভাগ, অগ্রণী ব্যাংক ৭৭ ভাগ, রূপালী ব্যাংক ৮০ ভাগ, কৃষি ব্যাংক ৯৫ ভাগ এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ৯৫ ভাগ ঋণ বিতরণ করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, অন্য যে কোন বছরের তুলনায় এবার কৃষি ঋণ বিতরণের উপর সবচেয়ে গুরত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর জন্য সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কৃষি ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং তাগাদার ফলে ঋণ বিতরণ যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোও এখন কৃষি খাতকে কিছুটা অগ্রাধিকার দিতে শুরু করেছে। চলতি বছর যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে এর ধারাবাহিকতা রেখে আগামী অর্থবছরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতিমধ্যে আগামী অর্থবছরের জন্য কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে আগাম প্রস্তুতিও শেষ করে এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী অর্থ বছরের জন্য কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের ক্ষ্যত্রে একটি যৌক্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের জন্যও বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
পাতাটি ২২১৬ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  কৃষিভিত্তিক শিল্পে ঋণ বিতরণ ২৪ শতাংশ বেড়েছে

»  মসলা চাষে কৃষকের আগ্রহ কমছে

»  দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পাটের বাজারে চাঙ্গাভাব বর্ধিত দাম পেল না কৃষক

»  ঝালকাঠিতে গুটি ইউরিয়া প্রযুক্তির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

»  পাটজাত পণ্যে নগদ সহায়তায় নতুন শর্ত