২১ জানুয়ারী ২০১৯


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   গবাদি পশু পালন  
বৈশাখ মাসে পশুপাখির জন্য করণীয়

বৈশাখ মাসে গবাদিপশুর গলাফুলা, তড়কা ও বাদলা রোগ দেখা দিতে পারে। এছাড়া হাঁস-মুরগির কলেরা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য রোগ প্রতিষেধক টিকা দিয়েছেন তো? যদি না দিয়ে থাকেন তাহলে দু’একদিনের মধ্যে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়াকে গলাফুলা, তড়কা, বাদলা রোগের প্রতিষেধক টিকা দেয়ার কাজটি সেরে নিতে পারেন। এ জন্য আপনিই উপকৃত হবেন। হাঁস-মুরগির দিকেও বিশেষ নজর রাখা প্রয়োজন। কলেরা যাতে না হতে পারে সে জন্য হাঁস-মুরগিকে কলেরার প্রতিষেধক টিকা দিতে ভুলে যাবেন না কিন্তু।

ভাই ও বোনেরা, আপনাদের মুরগির বাচ্চার জন্মের ৩য় দিনে বাচ্চার রানিক্ষেত ভ্যাকসিন বিসিআর ডিভি ড্রফারের সাহায্যে প্রতি চোখে এক ফোঁটা করে দিয়ে দেবেন। এ ব্যাপারে কাছাকাছি পশুসম্পদ অফিসের পশু চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে কাজটি সেরে নিলে ভালো হয়। আপনার মুরগিকে ফাল্গুন মাসের শেষে এবং চৈত্র মাসে ভ্যাকসিন দিয়ে থাকলে আবার দু’মাস বয়সে আরডিভি ভ্যাকসিন রানের মাংসে ১ সিসি পরিমাণে ইনজেকশনের মাধ্যমে দেয়ার ব্যবস্থা নিতে পারেন। এ সময় মুরগিকে আরডিভি ভ্যাকসিন দিয়ে নিলে ৬ মাস পর্যন্ত রানিক্ষেত রোগের আক্রমণ থেকে আপনার মুরগিকে রক্ষা করা যাবে।

বাছুরের প্রতিও বিশেষ যত্ন নেবেন এ মাসেই। তিন থেকে চার মাস বয়সের বাছুরকে কৃমির ওষুধ এখনই খাওয়ানোর ব্যবস্থা নিতে পারেন। গরু, মহিষ ও হালের বলদ এবং গাভীকে এ মাসে কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। পানি বা খাদ্যের সঙ্গে মিশিয়ে প্রতি দু’মাস পর পর ক্রিমির ওষুধ খাওয়ানো উচিত। আবারও বলছি, এ সময়ে গবাদিপশুর তড়কা, গলাফুলা ও বাদলা রোগ দেখা দিতে পারে। তাই আগেই প্রতিরোধ ও প্রতিষেধক ব্যবস্থা নিয়ে নিন। গবাদিপশুর বসন্তের টিকা এ সময়টায় দিতে হবে।
পাতাটি ২৭৭৮ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  ইনকিউবেটর পদ্ধতি পোল্ট্রিশিল্পের সম্ভাবনা

»  কোরবানীর জন্য গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি

»  বাছুরের পরিচর্যা

»  গাভীর দুধের উত্পাদন যেভাবে বাড়াবেন

»  গ্রোথ হরমোন ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি