Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 বাগেরহাটে চিংড়ি চাষিদের দুর্দিন

২১ আগষ্ট ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   বিভিন্ন ব্যাবসা বানিজ্য  
বাগেরহাটে চিংড়ি চাষিদের দুর্দিন

ঘেরে ভাইরাসের আক্রমণে চিংড়ির মড়ক, মানসম্মত পোনার অভাব, অপরিকল্পিতভাবে চিংড়ি চাষ প্রভৃতি কারণে আগামীতে বাগেরহাট জেলায় চিংড়ি চাষে বিপর্যয়ের আশংকা করছে ঘের মালিকেরা। গত বছর আইলায় ক্ষতিগ্রসত্ম অনেক চাষী পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন। ব্যাংক ও এনজিও’র দেনা পরিশোধ করতে পারছেন না।

এখনও বাগেরহাট জেলার মংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, চিতলমারি, ফকিরহাট ও কচুয়া উপজেলার মানুষের জীবিকার প্রধান অবলম্বল হচ্ছে চিংড়ি চাষ। জমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, উর্বরতা হ্রাস, চিংড়িতে ভাইরাসের আক্রমণ ইত্যাদি কারণে অনেক চাষী চিংড়ি চাষ থেকে সরে এসে ফের ধান চাষে ঝুঁকছেন। রামপাল উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জানান, জমিতে বছরের পর বছর ধরে চিংড়ি চাষের ফলে মাটি ধান বা অন্য ফসল উৎপাদনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। তাই মানুষ যেখানেই এক চিলতে জমি পাচ্ছে সেখানেই চিংড়ি চাষ করে বাঁচার চেষ্টা করছে। বাগেরহাট জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ জেলায় মোটা পুঁজি বিনিয়োগ করে ঘেরে বাগদা চিংড়ি চাষ শুরম্ন হয়। চিংড়ি হয়ে ওঠে অন্যতম রপ্তানি পণ্য। ঘের মালিকদের ভাগ্য বদল শুরম্ন হয়। পক্ষানত্মরে ভাগ্য বিপর্যয় শুরম্ন হয় চাষীদের । চিংড়ি চাষের পক্ষে-বিপক্ষে জনমত প্রবল হচ্ছে। তবু বন্ধ হচ্ছে না চিংড়ি চাষ।

বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মৎস্য বিজ্ঞানী ডঃ খান কামাল আহমেদ, ডঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম ও ডঃ মাসুদ জানান, কোন ঘেরে ভাইরাসের আক্রমণ হলে সব চিংড়ি মারা যায়। তারা জানান, বাগেরহাটে চিংড়ি চাষ কমছে।

বর্তমানে বাগেরহাট জেলায় ধান ও চিংড়ি চাষ নিয়ে ঠান্ডা লড়াই চলছে। পরিবেশবাদিরা চিংড়ি চাষের বিরম্নদ্ধে। আবার মৎস্য ব্যবসায়ীরা বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের কথা উলেস্নখ করে চিংড়ি চাষের পক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছেন। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলার অধিকাংশ প্রানিত্মক চাষী বাগদা চিংড়ি চাষের বিপক্ষে। বাগেরহাট জেলা চিংড়ি চাষী সমিতির সভাপতি মোঃ ইলিয়াস মাহমুদ জানান, চিংড়ি চাষ এখন লাভজনক নয়। লোকসান দিতে দিতে অনেক চিংড়ি চাষীর পুঁজি শেষ হয়ে গেছে। তারা ব্যাংক ও এনজিও’র ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। অনেক ঘেরে মাছ চাষ হচ্ছে না বলে তিনি জানান। আইলায় ক্ষতিগ্রসত্ম চাষীরা পথে বসেছে।
পাতাটি ২২৬৭ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  কৃষিভিত্তিক শিল্পে ঋণ বিতরণ ২৪ শতাংশ বেড়েছে

»  মসলা চাষে কৃষকের আগ্রহ কমছে

»  দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পাটের বাজারে চাঙ্গাভাব বর্ধিত দাম পেল না কৃষক

»  ঝালকাঠিতে গুটি ইউরিয়া প্রযুক্তির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

»  পাটজাত পণ্যে নগদ সহায়তায় নতুন শর্ত