Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 দুই জাতের ধান উদ্ভাবন করলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট

২১ আগষ্ট ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   বিভিন্ন ব্যাবসা বানিজ্য  
দুই জাতের ধান উদ্ভাবন করলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট


খরা প্রবণ অঞ্চলের জন্য দুই জাতের ধান উদ্ভাবন করলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এ ধান আমন মৌসুমে বৃষ্টিনির্ভর খরাপ্রবণ অঞ্চলে সেচ ছাড়াই অল্প বৃষ্টিতে ভালো ফলন দিতে সক্ষম। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দিন দিন বৃষ্টিপাত কমে যাচ্ছে এবং বেড়ে যাচ্ছে তাপমাত্রা। ফলে কৃষিতেই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) যৌথ উদ্যোগে রাজশাহী অঞ্চলের বৃষ্টিনির্ভর খরা প্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকের মাঠে গত ৩ বছর যাবৎ বিজ্ঞানী বিশ্বজিৎ কর্মকার এবং তমাল লতা আদিত্যসহ ব্রি ও ইরির অন্যান্য বিজ্ঞানী খরাসহিষ্ণু ধান উদ্ভাবনের এ গবেষণা করেছেন। বিশ্বজিৎ কর্মকার বলেন, স্বল্প জীবনকাল বিশিষ্ট খরা সহনশীল এ জাত সঠিক সময়ে অর্থাৎ ১০-১৫ জুলাই (২৫-৩০ আষাঢ়) বপন করে ২০ দিনের চারা রোপণ করতে হবে। রোপণের সঠিক দূরত্ব সারি থেকে সারি আট ইঞ্চি এবং গোছা থেকে গোছা ছয় ইঞ্চি। বিঘাপ্রতি ১৮ থেকে ২১ কেজি ইউরিয়া, ৮ কেজি টিএসপি, ৮ কেজি এমওপি, ৬ কেজি জিপসাম ও ১ কেজি দস্তা সার প্রয়োগে আবাদ করলে বৃষ্টিনির্ভর খরাপ্রবণ এলাকায় বিঘাপ্রতি ১২-১৪ মণ এবং সেচ সুবিধাযুক্ত এলাকায় বিঘাপ্রতি ১৫-১৭ মণ ফলন পাওয়া সম্ভব।
পাতাটি ২৫৬৬ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  কৃষিভিত্তিক শিল্পে ঋণ বিতরণ ২৪ শতাংশ বেড়েছে

»  মসলা চাষে কৃষকের আগ্রহ কমছে

»  দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পাটের বাজারে চাঙ্গাভাব বর্ধিত দাম পেল না কৃষক

»  ঝালকাঠিতে গুটি ইউরিয়া প্রযুক্তির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

»  পাটজাত পণ্যে নগদ সহায়তায় নতুন শর্ত