Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 আদা চাষে সফল কৃষক কমলগঞ্জের গোলসান

২১ নভেম্বর ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   ইন্টারভিউ  
আদা চাষে সফল কৃষক কমলগঞ্জের গোলসান

মাত্র ২০ শতক জমিতে আদা চাষ করে আর্থিকভাবে সফলতা অর্জন করেছেন কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের মনসুরপুর গ্রামের গোলসান মিয়া। আদা চাষাবাদকৃত একই জমিতে ডাঁটা শাক, ধুন্দল ও করলা রোপন করে আরো ১৫ হাজার টাকা আয় করেছেন। চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে আদা রোপন করার ৮ মাসের মধ্যে এই সফলতা লাভ করেন।

কৃষি ভান্ডার হিসাবে খ্যাত কমলগঞ্জ উপজেলায় ধান,মৌসুমী ফল, সবজি ও মসলা চাষাবাদে রয়েছে যথেষ্ট সম্ভাবনা। কৃষি বিভাগের নির্দেশনায় মৌসুম ভিত্তিক কৃষি চাষাবাদে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। বিগত কয়েক বছর যাবত কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কৃষি আবাদ শুরু করেছেন। এসব চাষাবাদের মধ্যে টমেটো, আলু, ফুল কপি, বাঁধা কপি, মূলা ও বিভিন্ন ধরনের শাক উল্লেখযোগ্য। মসলা চাষাবাদেও সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিলেও কৃষি বিভাগের সঠিক নির্দেশনা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার অভাবে মসলা চাষাবাদে তেমন সাফল্য দেখা যায়নি।সোমবার সরজমি ঘুরে দেখা যায়, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তার উৎসাহে প্রাথমিকভাবে মাত্র ২০ শতক জমিতে আদা চাষাবাদ শুরু করেন পতনউষার ইউনিয়নের মাহমুদ মিয়ার ছেলে গোলসান মিয়া। শুধু আদা চাষাবাদ করেই তিনি থেমে থাকেননি, আদা চাষকৃত একই জমিতে রোপন করেন ডাঁটা শাক, ধুন্দল ও করলা। আদা চাষে ছায়ার প্রয়োজন হয় বলে তিনি ছোট রশি ও তার দিয়ে মাচাং তৈরী করেন আর সেখানে করলা ও ধুন্দল চাষেও লাভবান হন। প্রথমে ডাঁটা শাক বিক্রি করে ৩ হাজার টাকা এবং পরে করলা ও ধুন্দল বিক্রি করে আরও ১১ হাজার টাকা আয় করেছেন বলে গোলসান জানান। আলাপকালে গোলসান মিয়া বলেন, ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ মোতাবেক তিনি আদা চাষাবাদ করেন। বীজ, সার, ঔষধ এবং শ্রমিকের মজুরিসহ মোট খরচ হয় ২৬ হাজার টাকা। বর্তমানে জমি থেকে আদা উত্তোলন শুরু করেছেন এবং তার ঐ জমি থেকে ২ লাখ টাকার আদা বিক্রি করা যাবে। এছাড়াও সেখানে করলা ও ধুন্দল বিক্রি করে ১২ হাজার টাকা আয় করেছেন। আদা চাষী গোলসান মিয়া চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে সবজি চাষাবাদকৃত জমি পার্শ্ববর্তী বাড়ির মোস্তফা মিয়ার কাছ থেকে লিজ নিয়ে আদা চাষাবাদ শুরু করেন। চলতি বছর এই এলাকায় নিয়মিত বৃষ্টিপাত থাকায় রোগের আক্রমন ও মোকাবেলা করে তিনি আশাতীত আদা উৎপাদন করেছেন। তবে ক্ষোভ প্রকাশ করে আদা চাষী গোলসান বলেন, সরকার মসলা চাষে সহজ শর্তে ঋন প্রদান করছে। কিন্তু তিনি ব্যাংকে অনেক চেষ্টা করেও এই ঋন সুবিধা ভোগ করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ব্যাংক থেকে ঋন সুবিধা পেলে আরও বেশী জমিতে আদা চাষ করতে পারতেন। পতনউষার ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোপাল চন্দ্র দত্ত বলেন, মসলা জাতীয় চাষাবাদে এগিয়ে আসলে চাষীরা উপকৃত হবেন, দেশও লাভবান হবে।
পাতাটি ২৭১৫ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  সফলকৃষক কুমার দুধ বংশি

»  মিষ্টি কুমড়া চাষ করে ভাগ্যোন্নয়ন

»  কুল চাষ করে স্বাবলম্বী বিপুল

»  সফল খামারি গাজী আব্দুল মালেক

»  মুরগি খামার করে স্বাবলম্বী সোহেল