২৬ জুলাই ২০১৭


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   কৃষি পণ্য  
জয়পুরহাটে শসা চাষে স্বাবলম্বী কৃষক

জয়পুরহাটে অতি অল্প সময়ে শসা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছেন সদর উপজেলার তেঘর মন্ডলপাড়া গ্রামের প্রান্তিক চাষী নজরুল ইসলাম। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড আলাভী/৩৫ ও কাশিন্দা জাতের শসা চাষ করে তিনি এখন স্বাবলম্বি।তিনি ২ বিঘা জমিতে গত ফ্রেব্র“য়ারী মাসে শসা চাষ শুরু করে এ পর্যন্ত ৩ শত মন শসা বিক্রি করেছেন । অরো ২শত থেকে আড়াই’শ মন শসা বিক্রি হবে বলেও দাবী করেন তিনি । শসা চাষে তার সাফল্য দেখে একে একে তার প্রতিবেশীরাও শসা চাষে আগ্রহী উঠেন। তাই তেঘর মন্ডল পাড়া গ্রাম সহ আশ পাশের গ্রামগুলোতে ব্যাপক সাড়া পরেছে শষা চাষ।

একই গ্রামের কৃষক আজাহার, পার্শবর্তী আউসগারা গ্রামের সামছুল ইসলাম জানান নজরুল ইসলাম অন্যান্য কৃষকদের মতই সাধারন কৃষক। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল আবাদ করলে চোখে পড়ার মত এই শষা চাষ করে যে সাফল্য অর্জন করেছেন তা অবাক করার মত। তার শষা চাষ দেখতে অনেকেই তার ক্ষেতে আসলে নজরুল চাষের পদ্ধতী সহ এর পরিচর্যার খুটিনাটি বিষয় বুঝিয়ে দেন অকৃপন ভাবে। আগামী বছর গুলোতে তারাও শসা চাষ করবেন বলে জানান।

শসা চাষের আদর্শ কৃষক নজরুল ইসলামের স্বপ্ন এই শসা ক্ষেতকে ঘিরে। পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে সারা দিন কাটান এখানে। তিনি বলেন- মাত্র ২ বিঘা জমিতে শসা বীজ বপন করেন গেল ফেব্রুয়ারী মাসে। আড়াই মাস থেকেই তিনি ফল লাভ করতে শুরু করেন, আর ইতোমধ্যেই ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার ফসল বিক্রি করে ৬০/ ৬৫ হাজার টাকা লাভে আছেন। আগামী মাস দু’য়েকের মত আরো ২০/৩০ হাজার টাকা পাবেন বলে আশা করেন।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শামীম ইকবাল ও লালতীর কোম্পানীর মার্কেটিং কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম জানান- নজরুল ইসলাম একজন আত্ম প্রত্যয়ী কৃষক। তিনি জেলার কৃষকদের মধ্যে এখন যেন এক উজ্জীবনী শক্তি। এই সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে তাদের আর বেগ পেতে হচ্ছে না।
পাতাটি ৪৭০৯ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  দেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবনাক্ত জমিতে ভূট্রা চাষ

»  জয়পুরহাটে শসা চাষে স্বাবলম্বী কৃষক

»  কলাপাড়ায় তরমুজ চাষে সাফল্য

»  কেশবপুরে জমে উঠেছে আখ হাট

»  পদ্মার চরে বাদাম চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে