Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 স্ত্রী ও পুরুষ চিংড়ি চেনার উপায়

২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   কৃষি তথ্য কনিকা  
স্ত্রী ও পুরুষ চিংড়ি চেনার উপায়


পুরুষ চিংড়ি: পুরুষ চিংড়ির বৃদ্ধি স্ত্রী চিংড়ির চেয়ে বেশী। শিরোবক্ষ মোটা ও আকারে বড়ো হয়। নিম্নোদর অপেক্ষাকৃত সরু দেখায়। আর একটি বৈশিষ্ট্য হল পুরুষ চিংড়ির মোটা লম্বা দাঁড়া বিশিষ্ট দ্বিতীয় ভ্রমনপদ। অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তরনপদের ভেতরের দিকের পদের (ENDOPODITE) গোড়ায় সংলগ্ন লোমশ এপেন্ডিকস ম্যাসকুলিনা দেখা যায়। এছাড়া প্রথম উদর খন্ডের তলার খোলসের মাঝখানে একটা ছোট শক্ত কাঁটার মত দেখা যায়। জুভেনাইল অবস্হায় একমাত্র এপেন্ডিকস ম্যাসকুলিনা দেখেই করতে হয়। কারন তখন অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় না।

স্ত্রী চিংড়ি : স্ত্রীচিংড়ি মাথা ও দ্বিতীয় বাহু অপেক্ষাকৃত অনেকটা ছোট থাকে এবং নিম্নোদরের নীচের দিকে ডিম ধারনের জন্য নিম্নোদর অপেক্ষাকৃত চওড়া হয়। পিঠের খোলস বড় হয় এবং উভয় দিকে নেমে এসে ডিমগুলি ঢেকে রাখতে সাহায্য করে।

চিংড়ি (গলদা) : পোষ্ট লার্ভা বা ধানী অবস্হায় পৌঁছাতে প্রায় ৩০-৪০ দিন সময় লাগে। এই সময়ে এরা ১১ বার খোলস ছাড়ে। প্রতিবারে খোলস ছাড়ার পর এদের কিছুটা রুপান্তর ঘটে। পোষ্ট লার্ভা অবস্হায় এরা ৩ সে.মি. আকারের বড়ো হয়। ২-৩ মাস বয়সে যখন ৬-৭ সে.মি. মাপে পৌঁছায় তখন সাব অডান্ট অবস্হায় পৌঁছায়।
পাতাটি ২৯৭৬ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  লাল ঢেঁড়সের জাত উদ্ভাবন

»  বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় পামওয়েল

»  দুধ উত্পাদন বৃদ্ধির তিনটি কৌশল

»  স্ত্রী ও পুরুষ চিংড়ি চেনার উপায়

»  পেপের নানা গুণ