Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 পুষ্টিকর ফল বিলাতি গাব ও অরবরই চাষ

১৯ আগষ্ট ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   ফল-মূল চাষ  
পুষ্টিকর ফল বিলাতি গাব ও অরবরই চাষ

বিলাতি গাব (Diospyros discolor) একটি মধ্যমাকৃতির গ্রীষ্মমণ্ডলীয় চিরসবুজ বৃক্ষ। Ebenacee পরিবারভুক্ত এ ফলটি Velvet apple বা Mabolo নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল ফিলিপাইন হলেও এর উচ্চ ফলন, পুষ্টিমান ও ভেষজ গুণাগুণের কারণে পৃথিবীর প্রায় সব উষ্ণ ও অবউষ্ণ অঞ্চলে এ গাছটি দেখা যায়। উচ্চফলনশীল আকর্ষণীয় লাল মখমলী খোসাযুক্ত আপেল আকৃতির এ ফলটি খেতে হালকা মিষ্টি স্বাদের, পিচফল বা মাখনের মতো সুগন্ধযুক্ত।


উদ্ভিদতত্ত্ব
বিলাতি গাবের গাছ মধ্যমাকৃতি, শক্ত উচ্চতা ১০ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে ও খাড়া কাণ্ড থেকে এর শাখা ডাল আনুভূমিকভাবে চতুর্দিকে বাড়তে থাকে। এর পাতা ১০-২৫ সেমি. পর্যন্ত লম্বাটে চর্মবত পাতার ওপরের দিক গাঢ় সবুজ ও নিচের দিক হালকা বাদামি বা সাদাটে ধূসর বর্ণের ও হালকা রোমশ হয়ে থাকে। কচি পাতা লাল বর্ণের এবং সিল্কের ন্যায় রোমশ হয়ে থাকে। এর সাদা মোমের ন্যায় ফুলগুলো ৪টি ফল বিশিষ্ট এবং আকারে ১ সেমি. (ব্যাস) এর মতো হয়। আপেলের আকারের ফলগুলো ভালো বা গোলাকার ৩-৪ ইঞ্চি লম্বা ও ২-৪ ইঞ্চি ব্যাসযুক্ত এবং ওজনে ১০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে।

মখমলের ন্যায় সূঁচালো রোম দ্বারা আবৃত খোসা লাল, হলুদ বা বাদামি রঙের হয়ে থাকে। কাঁচা অবস্থায় ফলগুলো ধূসর থাকলেও পাকা অবস্থায় উজ্জ্বল বর্ণ ধারণ করে। চটের ওপর ঘষে এর রোমগুলো অপসরণের পর পাকা ফলগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় দেখায়। ফলের ভেতরের অংশ ক্রিম রঙের নরম, পনিরের ন্যায় সুগন্ধিযুক্ত। প্রতি ফলে ৪-৮টি খয়েরি রঙের বীজ থাকে। তবে পরাগায়ন ঠিকমতো না হলে কোনো কোনো জাতের ফলে তেমন বীজ থাকে না। খোসা ও বীজ বাদ দিয়ে ফলের মাংসল অংশ খাওয়া হয়।

জাত
বিলাতি গাবের আকার, আকৃতি ও খোসার বর্ণভেদে বেশ কয়েক ধরনের ফল দেখা যায়। খোসার রঙ লাল, খয়েরি, বাদামি বা ধূসর এবং আকৃতি গোলাকার, লম্বাটে বা ওভাল হয়ে থাকে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বারি বিলাতি গাব-১ জাতটি অধিক ফলনশীল, অত্যন্ত আকর্ষণীয় লাল রঙের বড় আকারের ( ৩৫০-৫০০ গ্রাম), ফল খুব মিষ্টি টিএসএস ১৫%, খাদ্যাংশ বেশি ৬৮% এবং এ জাতটি দেশের প্রত্যন্ত (পার্বত্য, খরাপ্রবণ ও লবণাক্ত) এলাকায়ও চাষ উপযোগী।

চাষাবাদ
প্রায় সব ধরনের সুনিষ্কাশিত মাটিতেই বিলাতি গাব জন্মে। সমুদ্র সমতল থেকে ২৪০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত এ ফলটি জন্মাতে দেখা যায়। এ ফলটি খুবই ফলনশীল। সাধারণত ৮-১২ মিটার দূরত্বে এর বীজ থেকে উৎপাদিত চারা বা বীজ সরাসরি রোপণ করা যায়। বীজ থেকে উৎপাদিত চারা থেকে ফল পেতে ৬-৭ বছর সময় লাগে। তবে গ্রাফটিং বা লেয়ারিং এর মাধ্যমে উৎপাদিত চারা লাগানো হলে ৩-৪ বছরে ফল পাওয়া সম্ভব। তাছাড়া বীজের লাগানো চারার ফলগুলো মাতৃগাছের মতো গুণাগুণ সম্পন্ন হয় না। বিলাতি গাবের বাগান করার জন্য বর্ষার শুরুতে বর্গাগার বা আয়তাকার ডিজাইনে ৭-৮ মিটার দূরে দূরে ১x১x১ মিটার আকারের গর্ত তৈরি করে গর্তে কম্পোস্ট ২০ কেজি, ইউরিয়া ১০০ গ্রাম, টিএসপি ৫০০ গ্রাম, এমপি ৩০০ গ্রাম, ভালোভাবে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। সার মিশানোর ১০-১২ দিন পর চারা রোপণ করে পানি দিতে হবে। চারা গাছ ভালো ভাবে বাঁচার জন্য প্রথম দিকে ২/১ দিন পরপর পরবর্তীতে ৫/৭ দিন অন্তর এবং মাটি শুকিয়ে গেলে প্রয়োজন মতো সেচ দেয়া প্রয়োজন।

ফেব্রুয়ারি, মে, আগস্ট ও নভেম্বর মাসে গাছ প্রতি ২/৩ কেজি আবর্জনা পচা সার, ২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫ গ্রাম টিএসপি ও ২৫ গ্রাম পটাশ সার দিলে গাছ দ্রুত বাড়বে। গাছের বৃদ্ধির সাথে প্রতি বছর উল্লিখিত মাত্রায় সার পূর্ববর্তী বছরের সারের সাথে যোগ করতে হবে। এতে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং শিগগির ফলবান হবে। বিলাতি গাবের গাছ ধীর বৃদ্ধিযুক্ত হওয়ায় এর বাগানের মধ্যে আন্তফসল হিসেবে সবজি বা দ্রুত বর্ধনশীল স্বল্পমেয়াদি ফল যেমন পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, কুল, শরিফা প্রভৃতির চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায় ও দ্রম্নত আয় আসে।

ফলধারণ ও ফলন
বিলাতি গাব গাছে সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ফুল আসে এবং জুন-সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। তবে সারা বছরই কিছু কিছু গাছে ২/১টি করে ফল ধরতে দেখা যায়। গাছে পাকা ফলগুলো হাত দিয়ে সংগ্রহ করতে হয়। গাছের আকার ও জাতভেদে একটি পূর্ণবয়স্ক (১৫ বছর) গাছ ৪০০-১০০০ ফল দিতে পারে যার ওজন ১৬০-৩০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি কেজি পাকা ফল ২৫/- টাকা হারে বিক্রয় করলেও প্রতিটি গাছ থেকে ৪০০০-৭০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় হতে পারে। প্রতি শতাংশে একটি করে গাছ লাগালে বিলাতি গাব আবাদ করে বিঘায় দেড় থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা আয় করা সম্ভব। সুতরাং অপ্রধান ফল হলেও পুষ্টি ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

পাকা ফল সাধারণ তাপমাত্রায় খোলা অবস্থায় কম আর্দ্রতায় ৫/৭ দিন ভালো থাকে। বদ্ধ অবস্থায় অধিক আর্দ্রতার কারণে নষ্ট হয়ে যায়। ১৩-১৫ সে. তাপমাত্রায় ৮৫% আর্দ্রতায় এটি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে।

পুষ্টি উপাদান ও ব্যবহার
বিলাতি গাব কার্বহাইড্রেট ও মিনারেল সমৃদ্ধ একটি ফল। বীজ খোসা বাদে এর মাংসর মাখনের ন্যায় নরম সাদা অংশ হালকা মিষ্টি স্বাদের এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফ্রস ফল হিসেবে খাওয়া হয়। তবে ডেজার্ট হিসেবে ও পানীয় প্রস্তুতিতেও ব্যবহার করা হয়।

বিলাতি গাবের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী অংশের পুষ্টিমান নিম্নরূপ-

উপাদান পরিমাণ
ফ্যাট০.২২-০.৩৮ গ্রাম
প্রোটিন০.৭৫ গ্রাম
চিনি ১১.৪৭ গ্রাম
কার্বহাইড্রেট৫.৪৯- ৬.১২ গ্রাম
পটাশিয়াম৩০৩ মি. গ্রাম
সোডিয়াম১১০ মি. গ্রাম
আঁশ ০.৭৪-১.৭৬ গ্রাম
ক্যালরি৫০৪

বিলাতি গাবের যথেষ্ট ঔষধি গুণাগুণও রয়েছে। এর পাতা সিদ্ধকৃত ক্বাথ দ্বারা চর্মরোগের উপশম হয়। এই ক্বাথ গরম পানিসহ গার্গল করলে ঠাণ্ডা কাশি উপশম হয়। ফল হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও বিলাতি গাব ফ্রুট কেক, ক্রিম সফট ড্রিংকস্‌ প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর কাঠ কালচে, ঘন ও শক্ত যা ঘরবাড়ি তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। বিলাতি গাবের গাছ যথেষ্ট প্রতিকূলতা (খরা, লবণাক্ততা, ঝড়-ঝঞ্ঝা, ছায়া প্রভৃতি) সহ্য করতে পারে এবং অযত্নে অবহেলায়ও বিলাতি গাব বেশ ভালো ফলন দেয় এবং এর মাধ্যমে পুষ্টি ঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব। বাণিজ্যিকভাবেও ফলটি স্থায়ী বাগানের উপাদান হিসেবে এবং মূল্যবান ফলবাগানের উইন্ডব্রেকার হিসেবে চাষ করা যায়।

অরবরই
অরবরই, হরবরি বা লই (সিলেটের লেবইর) বাংলাদেশের গৌণ ফল সমূহের অন্যতম। কোথাও এটির চাষ হয় না, কিন্তু দেশের সব এলাকাতেই কোনো কোনো বাড়িতে এর দু’একটা গাছ চোখে পড়ে । অনেক সময় বাজারেও এ ফল বিক্রি হয়। মাদাগাসকার দ্বীপে এর উৎপত্তিস্থান, অবশ্য কেউ কেউ আমাদের এ উপমহাদেশকেও এর উৎপত্তি স্থান বলে উল্লেখ করেছেন। মানুষের মাধ্যমেই এটা ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জে এটি ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনো কোনো স্থানে শোভাবর্ধক উদ্ভিদ হিসেবেও এর চাষ হয়ে থাকে।

উদ্ভিদতত্ত্ব
উদ্ভিদতাত্ত্বিক দিক দিয়ে অরবরই আমলকীর নিকটআত্মীয়। উভয়ই একই গণে অবস্থিত।
অরবরই একটি কোমল কাণ্ডবিশিষ্ট ক্ষুদ্রাকার বৃক্ষ, উচ্চতায় সাধাণত ৪-৫ মিটার পাতা পৰল যৌগিক, পত্রকসমূহ উপবৃত্তাকার ও সারিবদ্ধভাবে সাজানো। স্ত্রী ও পুরুষ জাতের ফুল আলাদা উৎপন্ন হয়। ফুল গোলাপি রঙের, ঘনসন্নিবিষ্ট মার্চ- এপ্রিল মাসের গাছে ফুল আসে ও সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ফল পাকে। শাখা-প্রশাখার গায়ে ফুল ও ফল উৎপন্ন হয়। ফল ড্রপ, ছোট কমলাকৃতির ১-১.৫x১-২ সেমি. চার খণ্ডে বিভক্ত যেজন্য ওপর থেকে দেখলে একে তারকাকৃতি মনে হয়, পাকা ফল হলুদ ও হলুদাভ সবুজ। প্রতিটি ফলে একটি করে কোণাকৃতির শক্ত স্টোন বা আঁটি থাকে যার মধ্যে ৬-৮টি ছোট মসৃণ বীজ থাকে।

চাষাবাদ
সুনিষ্কাশিত হলে যে কোনো ধরনের মাটিতে এর চাষ করা চলে। তবে আর্দ্র মাটি অরবরই চাষের জন্য বেশি ভালো। বীজ দিয়েই সাধারণত অরবরই এর বংশবিস্তার করা হয়। কাণ্ডের শাখা কলম থেকেও নতুন গাছ জন্মানো যায়। অঙ্গজ বংশ বিস্তারের অন্যান্য পদ্ধতির ওপর তথ্যের জন্য গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গাছটি দ্রুত বর্ধনশীল এবং বিশেষ যত্ন ছাড়াই এর চাষ করা যায়। আংশিক ছায়াতেও এটি ভালো জন্মে। বাগান আকারে চাষ করতে হলে ৫-৬ মিটার দূরত্বে চারা লাগানো যেতে পারে। প্রতি বছর শীতের শেষে প্রতি গাছে ১০-১৫ কেজি পচা গোবর বা কম্পোস্ট এবং ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৫০০ গ্রাম টিএসপি এবং ৩০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

ফলধারণ ও ফলন
অরবরই গাছ দ্রুত বর্ধনশীল এবং রোপণের ৩-৪ বছরের মধ্যেই গাছ ফলদান করতে থাকে। শীতের শেষে গাছে ফুল আসে এবং মে-জুন মাসে ফল পাকে। কোনো কোনো গাছ প্রায় সারা বছরই কিছু কিছু ফল দান করে। অরবরই গাছেরও শাখা এবং কাণ্ড সর্বত্রই থোকা থোকা ফুল আসে ও ফল ধরে। মোটামুটি মাঝারি আকারের একটি গাছ থেকে ৪০ থেকে ৮০ কেজি পর্যনৱ ফল পাওয়া যেতে পারে।

পুষ্টি উপাদান ও ব্যবহার
আমলকীর মতো অরবরই ফলের শাঁস পাকার পরও শক্ত থেকে যায়। বীজ বাদে মাংসল অংশ টক স্বাদ বিশিষ্ট যা টাটকা খাওয়া যায় বা লবণ ও অন্যান্য মসলা দিয়ে অমস্নত্ব কমিয়ে ভর্তা করেও খাওয়া যায়। এটি সবজি মিশ্রণ, সুগন্ধযুক্ত খাবার, চিনি সহযোগে সিরাপ, জুস, জেলি, চাটনি বা আচার তৈরি করে খাওয়া যায়। আধাপাকা ফল রৌদ্রে শুকিয়ে সুগন্ধযুক্ত শুঁটি বা সুস্বাদু আচার তৈরি করা যায়। কাঁচা অরবরই ফলের রস বাণিজ্যিকভাবে ভিনেগার তৈরিতে ও মিষ্টি সংরক্ষণ কাজের ব্যবহার করা হয়। ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে এর কচি পাতা শাক হিসেবে খাওয়া হয়।


অরবরই এর উত্তম ঔষধি গুণ রয়েছে। এর রস লিভার টনিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর রস বমনকার ও রোচক হিসেবে সমাদৃত। এর পাতা গনোরিয়া রোগের উপশমকারী ও আরামদায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অরবরই কাঠ মোটামুটি শক্ত, কঠিন যা ছোটোখাট গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার করা হয়। এর বাকলের ট্যানিন বিভিন্ন রঙ ও বার্নিশ এর কাজে এবং ঔষধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

উপসংহার
অরবরই অযত্নে অবহেলায় বাড়ির আনাচে-কানাচে সহজেই জন্মে থাকে এবং ভালো ফলন দিয়ে থাকে। সরাসরি খাওয়া হলে এর গুণগতমান ভালো থাকে। মহিলা ও বাচ্চারা এর ফল খেতে খুবই ভালোবাসে। বাসাবাড়িতে বহুবিধ গুণসম্পন্ন এর ২/১টি গাছ লাগিয়ে এর ব্যবহার ও চাষাবাদ বাড়ানো যেতে পারে।

লেখক: কৃষিবিদ ড. শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদার
পাতাটি ৫০৬৯ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  পুষ্টিকর ফল বিলাতি গাব ও অরবরই চাষ

»  সফেদা চাষ

»  বাংলাদেশের কৃষিতে এবার ড্রাগন ফল

»  আনারস চাষ

»  আমের যখন মুকুল ঝরে