Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 কুতুবদিয়ায় প্যারাবন ধ্বংস করে লবণ মাঠ

২৬ জুন ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   সংবাদপত্রে কৃষির খবর  
কুতুবদিয়ায় প্যারাবন ধ্বংস করে লবণ মাঠ

কুতুবদিয়ায় বন বিভাগের প্যারাবন ধ্বংস করে লবণ মাঠ করার জন্য একটি ভূমিদস্যু চক্র বেশ কিছুদিন ধরে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ বাধা দিতে গেলে ভূমিদস্যুদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে।

কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ মৌজার বন বিভাগের নামে সৃজিত ৩৫ দশমিক ২ একর জায়গা রয়েছে। এ জায়গাগুলোতে গত ২০০৮-০৯ অর্থবছরে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে বন বিভাগের অর্থায়নে প্যারাবন সৃজন করা হয়।

জানা যায়, কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের মুরালিয়া গ্রামের কিছু সংখ্যক ভূমিদস্যু অবৈধ প্রভাব দেখিয়ে বন বিভাগের প্যারাবন ধ্বংস করে লবণ মাঠ করার জন্য প্রক্রিয়া শেষ করেছে। ওই ভূমিদস্যুরা গত এক সপ্তাহ ধরে অর্ধশত শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে সৃজিত প্যারাবন ধ্বংস করে লবণ মাঠ তৈরি করে যাচ্ছে। এ খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে ভূমিদস্যুদের মাঠ থেকে তুলে দেওয়ার জন্য বাধা দিলে তা অমান্য করে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধিকে লাঞ্ছিত করে। বর্তমানে ভূমিদস্যুরা আরও বেপরোয়া হয়ে দ্বিগুণ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে ওই বন বিভাগের জায়গায় লবণ মাঠ তৈরি করে নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপকূলীয় বন বিভাগের কুতুবদিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা অসীত কুমার রায় বলেন, বড়ঘোপের পূর্ব মুরালিয়া এলাকায় বন বিভাগের জায়গার ওপর লবণ মাঠ তৈরি করার সময় সরেজমিনে গেলে লবণ মাঠ তৈরি কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা পালিয়ে যায়। তবে এ ব্যাপারে এখনও প্যারাবন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ জানান, গত বছর এ জায়গায় প্যারাবন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় নতুন করে মামলা দেওয়া যাবে কি-না আইনবিদদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র : সমকাল
পাতাটি ১৯১৯ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  চাই কৃষিবান্ধব তথ্যপ্রযুক্তি

»  উত্তরাঞ্চলে ৫০ হাজার বিঘায় সয়াবিন চাষের পরিকল্পনা

»  আলু চাষে সাফল্য পেতে চান চৌগাছার কৃষকরা

»  তালায় লবণসহিঞ্চু টমেটো চাষে ব্যাপক সাফল্য

»  ফসলি জমিতে সারের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে