Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 ফলনভাল হওয়ায় কৃষক তুলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে

২১ আগষ্ট ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   সংবাদপত্রে কৃষির খবর  
ফলনভাল হওয়ায় কৃষক তুলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে

নেয্য মূল্য না পাওয়া, ব্যাংক ঋণ না থাকা ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে উপজেলার কৃষকরা এক সময়ের অর্থকরী ফসল তুলা চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল। চলতি মৌসুমের চিত্র বিপরীত এবং ইতিমধ্যে

দেশের অন্যতম তুলা চাষ এলাকা হিসেবে কেশবপুর উপজেলা ছিল শীর্ষে। সরকারিভাবে তুলা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হতো এবং দেয়া হতো ব্যাংক ঋণ সুবিধা। কিন্তু কিছু সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যস্বত্বভোগের কারণে কৃষক তুলা চাষে নিরাশ হয়ে পড়ে। কেশবপুরে ব্যাপক তুলা চাষের কারণে গড়ে উঠেছিল বেশ কয়েকটি স্পিনিং মিল। কিন্তু ক্রমান্বয়ে তুলা চাষ হ্রাস পেতে পেতে এমন নাজুক অবস্থায় এসেছে যে, উপজেলাটিতে এখন আর একটিও স্পিনিং মিল নেই। তুলা চাষ ব্যয়বহুল হলেও লাভজনক হওয়ায় আগে কৃষক তুলা চাষের জন্য ব্যাংক ঋণ সুবিধা পেত। কিন্তু ১৯৯০ সালের পর থেকে আর কোন ব্যাংক তুলা চাষীদের ঋণ না দেয়ায় কৃষক তুলা চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এ মৌসুমের শুরুতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কেশবপুর ও হাসানপুর ইউনিটের উদ্যোগে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কৃষক আবারো তুলা চাষ শুরু করে। কিন্তু চাষের শুরুতে অতি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বপনকৃত বীজ ও তুলার চারা মরে যায়। এভাবে কৃষক ২/৩ বার করে বেশি দামে বীজ কিনে তুলা চাষ করে। তুলা উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কেশবপুর উপজেলায় দুই ইউনিটির সমন্বয়ে তুলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৫শ’ ১০ বিঘা। কিন্তু তুলা চাষ হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৩ বিঘা জমিতে। এবার প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১৫ মণ তুলা উত্পাদন হবে। সরকারিভাবে তুলা উন্নয়ন বোর্ড এ বছর কৃষকদের কাছ থেকে তুলা ক্রয় করবে। কৃষকদের প্রতি মণ তুলার দাম দেয়া হবে ২ হাজার ৭শ’ ৪০ টাকা করে।

উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের আব্দুর রহিম সানা জানান, চাষের শুরুতে অতি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বপনকৃত বীজ ও তুলার চারা মরে যাওয়ায় তিনি ২/৩ বার করে বেশি দামে বীজ কিনে তুলা চাষ করেছেন। অতীতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্ভাবিত সিবি-৯ জাতের বীজ লাগিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে ৮/৯ মণের বেশি তুলা উত্পাদন হয়নি এবং প্রতি মণ তুলার দাম ১২ শ’ থেকে ১৩ শ’র টাকার বেশি বিক্রি করতে পারেননি বলে তিনি তুলার চাষ বন্ধ করে দেন। এবার তুলার দাম বেশি হওয়ায় এবার তিন বিঘা জমিতে তিনি তুলা চাষ করেছেন। শ্রীফলা গ্রামের আব্দুল হান্নান ও আফছার আলি জানান, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্ভাবিত সিবি-৯ জাতের বীজে ভাল ফলন না হওয়ায় এ মৌসুমে তারা সুপ্রীম সীড কোম্পানি ও লাল তীর কোম্পানীর আমদানিকৃত বিদেশি হাইব্রীড এইচএসসি-৪ ও ডি এম-২ জাতের বীজ নিয়ে ১০ বিঘা জমিতে তুলার চাষ করেছেন। কোম্পানী দু’টি সময়মত বীজ সরবরাহ না করায় তুলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি বলে তারা মনে করেন।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
পাতাটি ২০৬৮ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  চাই কৃষিবান্ধব তথ্যপ্রযুক্তি

»  উত্তরাঞ্চলে ৫০ হাজার বিঘায় সয়াবিন চাষের পরিকল্পনা

»  আলু চাষে সাফল্য পেতে চান চৌগাছার কৃষকরা

»  তালায় লবণসহিঞ্চু টমেটো চাষে ব্যাপক সাফল্য

»  ফসলি জমিতে সারের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে