Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/sumon09/public_html/include/config.php on line 2
 আগামী বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ছে

২১ জুলাই ২০১৮


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   কৃষি সংবাদ  
আগামী বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ছে

আগামী বাজেটে কৃষিখাতে নয় হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সোমবার সচিবালয়ে চ্যানেল আই-এর ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে ‘কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট’ শীর্ষক এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা জানান।

উল্লেখ্য, গত বছর কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ছয় হাজার কোটি টাকা।

আলোচনায় কৃষিখাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখার দাবি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষিখাতে ভর্তুকিটা কোনো ভর্তুকি নয়, প্রকৃতপক্ষে এটা একটা বিনিয়োগ। কৃষিখাতে ভর্তুকি বাদ দেয়ার বিষয়টি আমরা কখনো ভাবি না। তবে ভর্তুকি কমিয়ে আনার কথা বলেছি।

তিনি বলেন, তবে কৃষিখাতে ভর্তুকির ক্ষেত্রে আগামীতে কোনো এরিয়া থাকবে না এবং ভর্তুকির পরিমাণও আগামীতে কমে যাবে।

কৃষি খাতের ভর্তুকির অর্থ সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দিতে আগামীতে কার্ডের মাধ্যমে সারের ভর্তুকি প্রদান করা হবে। এখন ডিজেলের ভর্তুকি পুরোপুরি কার্ডে এবং বিদ্যুতের কিছু কিছু ক্ষেত্রে কার্ড চালু করা হয়েছে।

পোল্ট্রি খাতে কর অবকাশ সুবিধা বাড়ানোর দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পোল্ট্রিসহ অন্যান্য যেসব খাতে কর অবকাশ সুবিধা চলতি অর্থবছরে (২০১২-১৩) শেষ হয়ে যাচ্ছে- সেসব খাতে কর অবকাশ সুবিধা আরো দুই বছর অব্যাহত রাখা হবে।

‘পোল্ট্রি খাতে গত ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে প্রদত্ত প্রণোদনার অর্থ খামারিরা পায়নি, অর্থ মন্ত্রণালয় অর্থ ছাড় করেনি’ কৃষকদের এ অভিযোগের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রণোদনার অর্থ প্রদান করে থাকে ব্যাংক। তবে আগামীতে প্রণোদনার অর্থ ছাড়ের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কোনো মন্ত্রণালয়কে দেয়া হবে না। সরাসরি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে এ অর্থ নিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষের প্রধান দাবি হচ্ছে বিদ্যুৎ ও রাস্তা। এছাড়া গ্যাসের জন্যও চাহিদা রয়েছে। বিদ্যুৎ বর্তমান সরকার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি উৎপাদন করলেও চাহিদা আরো অনেক বেশি।

বীজ ও সারের উৎপাদন বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএডিসি’র উৎপাদন ক্ষমতা আগের তুলনায় বেড়েছে। তবে এ বীজ নিয়ে মানুষের সন্দেহের কারণ হচ্ছে বাজারে যা পাওয়া যায়, এর বেশির ভাগই নিম্নমানের। এছাড়া সরকারের উদ্যোগে ফেঞ্চুগঞ্জে সাড়ে ৬ হাজার টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সার কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে। অধিক সার কারখানা স্থাপনে সরকারের সক্ষমতার অভাব রয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি উদ্যোক্তারাও সার কারখানা স্থাপনে এগিয়ে আসছে না।

অনুষ্ঠানে চ্যানেল আই’র বার্তা বিভাগের প্রধান শাইখ সিরাজ দেশের কৃষকদের পক্ষ থেকে ৫৮ দফা দাবি তুলে ধরেন।
পাতাটি ৫২০৩ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  আগামী বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ছে

»  পেঁপের নতুন জাত উদ্ভাবন

»  কৃষিতে ৫৫ দফা সুপারিশ

»  ফরিদপুরের কালো সোনা

»  গ্রীষ্মকালীন তুলার নতুন জাত উদ্ভাবন